Select Page

কোথায় ফ্রিল্যান্সাররা কাজ করে? 2021 সালে নতুনদের জন্য সেরা ৩টি ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট

by Aug 30, 2021Freelancing Tips1 comment

ফ্রীলান্সিং কি এবং ফ্রীলান্সিং কাকে বলে ? ২০২১ এ এসে নতুন করে বলার মতো কিছু নাই। কম বেশি সবাই জানে ফ্রীলান্সিং কি? তারপরেও সাধারণ ভাবে বলে দেই, ফ্রিল্যান্সার হচ্ছে অনলাইনমুখী স্বাধীন একটি পেশা , যেখানে একজন মানুষ প্রতিষ্ঠানের হয়ে নিজের বিভিন্ন দক্ষতা অনুযায়ী নানান ধরনের কাজ করে থাকেন। যেমন, প্রোগ্রামিং , গ্রাফিক্স ডিজাইন , কনটেন্ট রাইটিং , ডিজিটাল মার্কেটিং, বিভিন্ন ডেভেলপার। এর বাইরে আরো বিভিন্ন পেশা আছে।

আরো সহজ করে বলে , বাড়িতে বসে অনলাইনে কোনো মার্কেটপ্লেসের এর মাধ্যমে আপনি আপনার সার্ভিস দিয়ে অর্থ আয় করে থাকেন সেটাই ফ্রীলান্সিং।  এটা সম্ভবত ক্লাস সিক্সের সংজ্ঞা।  আচ্ছা ব্যাপার না।  এখন আসি কোন মার্কেটপ্লেস নতুন ফ্রীলান্সারদের জন্য কার্যকরী এবং খুব সহজেই কাজ করতে পারবেন। আজকে এরকম ৩টি মার্কেটপ্লেস এর কথা বলবো যেখানে আপনি কাজ করতে পারবেন।

১. ফাইভার 

ফাইভার নতুনদের জন্য খুবই সহজ একটি মার্কেটপ্লেস।  যদিও সময়ের সাথে সাথে ফাইভার আপডেট হয়। এখানে একাউন্ট করা যতটা সহজ মাঝে মাঝে গিগ খোলা নিয়ে অনেকেই দ্বিধায় পড়ে যায়। তবে কারো যদি নূন্যতম অনলাইন সম্পর্কও সচেতন হয়ে থাকে তাহলে ১০-২০ মিনিট ইউটিউবে একটা ভিডিও দেখেই সাধারণ ধারণা নিতে পারে। আর একটা কথা না বললেই নোই , ফাইভার বাংলাদেশের ফ্রীলান্সারদের কাছে খুবই জনপ্রিয় একটি মার্কেটপ্লেস। এটা যে কোনো সফল ফ্রীলান্সার কে বললেই বলবে।  তবে খেয়াল রাখতে হবে এমন কিছু যাতে না হয় যার জন্য আপনার একাউন্ট টি ডিসাবল হয়ে যায়।

ফাইভারে সর্বমোট ৮টি  ক্যাটেগরি আছে। যার প্রতিটি ক্যাটেগরির ভিতরে আবার কতগুলি সাব-ক্যাটেগরি আছে ।

ফাইভারের প্রধান ৮টি ক্যাটেগরি হচ্ছে-

 

১. ডিজিটলি মার্কেটিং

২. গ্রাফিক্স এবং ডিজাইন

৩. রাইটিং এবং ট্রান্সলেশন

৪. ফান এবং লাইফ স্টাইল

৫. মিউজিক এবং অডিও

৬. প্রোগ্রামিং এবং টেক

৭. ভিডিও এবং এ্যানিমেশন

৮. বিজনেস

আর প্রতিটি ক্যাটেগরির ভিতরে যেহেতু অনেকগুলি সাব ক্যাটেগরি আছে তাই এর মধ্যে থেকে আপনার ক্যাটেগরি বাছাই করে  কাজ শুরু করে দিন।

ফাইভার সম্পর্কে আরো কিছু বিস্তারিত তথ্য :

  • প্রথম পর্যায়ে ফাইভারে ৭টি গিগ খুলতে পারবেন। এখানে কোনো লেভেল লাগবে না।
  • একটি গিগ মানে, একটি কাজ যেমন: কন্টেন্ট রাইটিং।ধরুন , আপনিকন্টেন্ট লিখতে পারেন তাহলে আপনি এখানে কন্টেন্ট রাইটিং এর কাজ করতে পারবেন একটি গিগের মাধ্যমে।  কন্টেন্ট রাইটিং নিয়ে বিভিন্ন ধাপে সেক্টরে আপনি ৭ টি গিগ খুলে একই সার্ভিস ৭ টি আলাদা পর্যায়ে কন্টেন্ট সেল করতে পারবেন।  যার মূল্য হতে পারে সর্বনিম্ন ৫ ডলার – সর্বোচ্চ ৯৯৫ ডলার।কন্টেন্ট রাইটিং সার্ভিস টা আবার আপনি ৩ টি ধাপে সাজাতে পারবেন।  যেটাকে বলতে পারেন ৩টি প্যাকেজ।  যেমন : বেসিক (৫ডলার) , স্ট্যার্ন্ডাড (১৫) ও প্রিমিয়াম (৩০ ডলার)। 
  • এখানে আপনি ক্লায়েন্টদেরকে রিকোয়েস্টের মাধ্যমেও কাজ করার অফার করতে পারেন।
  • আপনি পেপাল বা পেওনিয়ার কার্ডের সাহায্যে আবার সেখান থেকে ব্যাংকের মাধ্যমে খুব সহজেই টাকা তুলতে পারবেন।

 

২.আপওয়ার্ক (Upwork)

বর্তমানের সবথেকে বেশী জনপ্রিয় একটি ফ্রিল্যান্স সাইট কিন্তু বর্তমানে কিছু অযোগ্য (NEWB) বাংলাদেশীদের জন্য এখানে কাজ করাটা কিছুটা কঠিন হয়ে গেছে। আমাদের সবার উচিত যে কোনো মার্কেটপ্লেস সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে এবং একটি দক্ষতা নিয়ে কোনো মার্কেটপ্লেস এ যাওয়া। তা না হলে আমরা নিজেরাই আমাদের জন্য কাল হয়ে যাবো।

 

আপওয়ার্ক এ যেসব বিষয় বা ক্যাটেগরি নিয়ে কাজ করতে পারবেন তার কিছু নমুনা দিচ্ছি –

১. ওয়েব, মোবাইল এবং সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট

২. অ্যাডমিন সাপোর্ট

৩. আইটি ও নেটওয়ার্কিং

৪. রাইটিং

৫. ট্রান্সলেশন

৬. ডিজাইন ও ক্রিয়েটিভ

৭. লিগাল

৮. কাষ্টমার সার্ভিস

৯. ডেটা সায়েন্স এবং অ্যানালিটিক্স

১০. সেলস এবং মার্কেটিং

১১. ইঞ্জিনিয়ারিং এবং আর্কিটেকচার

১২. অ্যাকাউন্টিং ও কনসাল্টিং

 

প্রথমেই একটা কথা বলে নেই। আপওয়ার্কে কাজ করার জন্য সর্বপ্রথম প্রয়োজন ১০০% অনুমোদিত একটি প্রোফাইল। অর্থাৎ ভেরিফাইড একটা সেলার একাউন্ট। যেখানে আপনার নাম, আপনার কাজের দক্ষতা, বর্ননা, কাজের রেট এবং আপনার একটি ছবি দেয়া থাকবে। এই প্রোফাইল দিয়ে আপনাকে আপওয়ার্কে বিভিন্ন কাজের জন্য বিড করতে হবে। এখানে দুই ধরনের কাজ আপনি পাবেন, ১. আওয়ারলি এবং ২. ফিক্সড প্রাইজ। আপওয়ার্ক থেকে টাকা উত্তোলনের জন্য আপনাকে বাংলাদেশের যেকোনো ব্যাংকে এ্যাকাউন্ট থাকলেই হবে। সরাসরি আপনি ঐ এ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাতে পারবেন।

 

নতুনদের জন খুবই কার্যকরী একটা ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস এটা। যদি আপনি ঠিকমতো সময় দিয়ে থাকেন তাহলে এই সাইট থেকেও আপনিও নিজের ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন। এখন শুরু করা যাক এই সাইট নিয়ে কিছু বিস্তারিত আলোচনা।

ফাইভার এর মত এখানেও কিছু ক্যাটেগরি রয়েছে, যেখান থেকে আপনি আপনার পচ্ছন্দেরটি বেছে নিতে পারেন।

পিপল পার আওয়ার এর কতগুলো প্রধান ক্যাটেগরি রয়েছে। যেমন :

১. ডিজাইন

২. ওয়েব ডেভেলপমেন্ট

৩. রাইটিং এবং ট্রান্সলেশন

৪. সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এবং মোবাইল

৫. সোশ্যাল মিডিয়া

৬. সেলস এবং মার্কেটিং

৭. বিজনেস সাপোর্ট

৮. ভিডিও, ফটো এবং অডিও

 

এইখানেও অন্যান্য সাইটের মতো আপনি নিজের স্কিল অনুযায়ী সার্ভিস তৈরী করতে পারবেন যেটাকে Hourlie বলা হয়।

যতটা গুরুত্বের সাথে তৈরী করবেন সার্ভিস ততটা রেসপন্স পাবেন। এর পাশাপাশি আপনি নিজেই বায়ারদের রিকোয়েস্টের মাধ্যমে কাজ পেতে পারেন।

আপনার আওয়ারলি এর জন্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ন হচ্ছে টাইটেল। আপনার টাইটেল আকর্ষণীয়, সহজে বোধগম্য এবং যথাযথ সুন্দর হতে হবে।  তা  না হলে বায়ার আপনাকে দিয়ে কাজ করতে উৎসাহী হবে না। আপনার Hourlie এর বর্ননা অংশে আপনি বায়ারকে বিস্তারিত জানাবেন যে, কেন তার এই সার্ভিসটি  দরকার এবং এই সার্ভিস দ্বারা তিনি কোন কোন দিক থেকে উপকৃত হবেন। আপনি যতটা বিস্তারিতভাবে আপনার সার্ভিস সম্পর্কে জানাতে পারবেন, এটি তত বেশি সেল হতে থাকবে । আর খেয়াল রাখেবন যে ,আপনার লেখার মাঝে বুলেট পয়েন্ট , টেক্স মডিফায়ারস যেন বাদ না পড়ে। অবশ্যই একটি সুন্দর ছবি আপনার সার্ভিসে যুক্ত করবেন যাতে দেখতে আরো প্রানবন্ত করে তোলে আপনার ক্লায়েন্টের কাছে।

 

 

 

 

Hits: 76

Need Help?

Get In Touch With Us

Find Us in Socials

Use this Form

2 + 14 =

Pin It on Pinterest

Share This